নরসিংদীতে অক্সিজেন সেবা দিচ্ছে ডু সামথিং ফাউন্ডেশন

আগের সংবাদ

নরসিংদীতে লটকনে ১৬৮ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

পরের সংবাদ

মেঘনা নদীতে ৪২ কিমি. সাঁতরেছেন পল্লী চিকিৎসক বকুল

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২১ , ৬:৩১ অপরাহ্ণ

নরসিংদীর রায়পুরায় একটানা ৪২ কিমি নদী সাতাঁর কেটে আলোচনায় এসেছেন বকুল সরকার নামে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসক।

মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর অব্দি কিশোরগঞ্জের ভৈরব ব্রীজ থেকে উত্তাল মেঘনা নদী হয়ে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা বাজার ঘাট পর্যন্ত বিরতীহীন ৪২ কিলোমিটার সাতাঁর কাটেন তিনি।

এ সময় স্পিডবোট, নৌকা ও ট্রলার নিয়ে শতশত দর্শক তার সাথে ছিলেন। নদীর দুইপাড়ে ছিলো উৎসুক জনতার ভিড়। ঘাটে হাজার হাজার মানুষ তাকে অভিবাদন জানাতে জড়ো হয়।

বকুল সরকার নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের খোদাদিল্লা গ্রামের ডা: সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক।

স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বকুল সরকার গত বছরের ২৩ আগষ্ট বিরতীহীন টানা ৪ ঘন্টায় সাতার দিয়ে ১৫ কিলোমিটার দূর উত্তাল মেঘনা পাড়ি দেন। এরপর স্থানীয়দের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকাও পুরষ্কার জিতে নেন তিনি । এবছর নিজেই ব্যক্তিগতভাবে পূর্ব ঘোষনা দিয়ে পাশের জেলা কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজারের পাশ থেকে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার হাইরমারা ইউনিয়নের মনিপুরা ঘাটে ৪২ কিমি টানা সাতঁরে পাড় হন। ভোর পাঁচটায় শুরু হওয়া ৭ ঘন্টার এই যাত্রা শেষ হয় দুপুর বারোটায়। এরপর রায়পুরা উপজেলা ভাইস চেয়াম্যান হাজী আব্দুল মোমেন তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।

পল্লী চিকিৎসক বকুল সরকার বলেন, নদীপথে সাতাঁরের পূর্বের সকল রেকর্ড ভাঙতে চাই । আগামীতে নদীপথে নরসিংদী থেকে ঢাকা যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। মনের আনন্দেই আমি এই কাজটা করে থাকি।

রায়পুরা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাজী মোমেন বলেন, বকুল বাংলাদেশের জাতীয় সম্পদ। তাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে তার প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি তিনি আহবান জানান।

ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন