জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধনে উৎসাহ দিতে উপহার প্রদান

আগের সংবাদ

সোমেন চন্দ্র পাঠাগারের ২৫ বছর পূর্তি

পরের সংবাদ

চরসিন্দুর বহুমূখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

নাদিয়া ভূইঁয়া

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৫, ২০২১ , ১:৫১ অপরাহ্ণ

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাস। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় তখন আসন্ন।

১৪ ডিসেম্বর রাতে পাক-হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের প্রথম সারির অগ্রগণ্য বুদ্ধিজীবীদের চোখ বেঁধে ধরে নিয়ে যায়। শকুনের দল এক রাতেই নির্মমভাবে হত্যা করে বাঙালি কয়েকশো মেধাবী সন্তানদের।

চরসিন্দুর বহুমূখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন।

এ উপলক্ষে কবিতা, আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ রফিকুল ইসলাম। শিক্ষার্থীদের লেখা রচনা ও চিত্রাঙ্কন শেখ রাসেল দেয়ালিকায় উপস্থাপন করা হয়। অনুষ্ঠানে সকল শিক্ষক ও শিক্ষিকাগণ উপস্থিত ছিলেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আসন্ন বিজয়ের বেলায় কাপুরুষ হানাদাররা এদেশের বরেণ্য শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের ধরে নিয়ে যায়। নিষ্ঠুর নির্যাতনের পর তাদের হত্যা করা হয়।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মুনির চৌধুরী, আনোয়ার পাশা, সিরাজুল হক, হুমায়ূন কবীর, গিয়াসউদ্দীন আহমদসহ আরও অনেকে।ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. হবিবুর রহমান, ড. শ্রী সুখারঞ্জন সমাদ্দার, মীর আবদুল কাইউম।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে বাঙালি জাতি হারিয়েছে চিকিৎসক, সাংবাদিকসহ আরও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের। তাদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি, ডা. মনসুর আলী, শহীদুল্লাহ কায়সার, সেলিনা পারভীন, আলতাফ মাহমুদ, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, রণদাপ্রসাদ সাহা, জহির রায়হান ড. আবুল কালাম আজাদসহ আরও অনেকে।