পাঠালী গুড় শীতের পিঠা,
খেতে মজা গন্ধ মিঠা,
খেজুর রসে ধোঁয়া গরম,
নতুন চালের পিঠা নরম,
কবির কবিতার মতো ধোঁয়া ওঠা গরম গরম সুস্বাদু ভাপা পিঠা শুনলেই জিভে জল আসবে। নরসিংদীর মালেক মিয়ার ভাপা পিঠা খেতে লাইন ধরেন পিঠাপ্রেমীরা।
১০ বছর ধরে ভাপা পিঠা বিক্রি করছেন তিনি। আয়ের একটি অংশ মসজিদ-মাদ্রাসা আর এতিমখানায় দান করেন । নারকেল, মিষ্টি গুড় আর চালের মিহি গুঁড়ায় বানানো ভাপা পিঠা। শীতের আবহে, ধোঁয়া ওঠা এ পিঠা যেন জিভে জল আনে।বৈচিত্র্য স্বাদের ভাপা পিঠা তৈরি করে পিঠাপ্রেমীদের নজর কেড়েছেন মালেক মিয়া।
শহরের জেলখানা মোড়ে তার পিঠার দোকানে মিলবে ২০ টাকা থেকে শুরু করে দুই শত পাঁচ শত এমনকি এক হাজার টাকা দামের পিঠা।এক হাজার টাকা দামের পিঠার স্বাদ পেতে হলে অর্ডার করতে হয় একদিন আগে। এটি বানানোর প্রক্রিয়াটাও দীর্ঘ। আতপ চালের গুঁড়া, খেজুরের গুড়, নারকেল, মালাই, সুগন্ধি পোলাও চাল, কিসমিস, খেজুর, পেস্তাবাদাম, কাঠবাদাম, কাজুবাদামসহ নানা উপাদান মিশানো হয় হাজার টাকার পিঠায়।
সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা কিংবা ১০টা পর্যন্ত চলে ভাপা পিঠা কেনাবেচা। মুখরোচক আর স্বাদের বৈচিত্র্যের কারণে প্রতিদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টায় আট থেকে ১০ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করেন মালেক। পিঠা বিক্রেতা মালেক মিয়া বলেন, কিঞ্চিৎ লাভে পিঠাগুলো বিক্রি করি। এখানে ২০-১০০০ টাকার পিঠা আছে। এই পিঠার কামাই মসজিদ, মাদ্রাসায় তিন ভাগ আর এক ভাগ আমার।
এই এক ভাগ দিয়ে আল্লাহ আমাকে ভালো চালায়। পিঠা বিক্রি ছাড়াও বছরের বাকি সময়, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অটোরিকশা এবং সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত পান-সিগারেট বিক্রি করেন মালেক মিয়া।