নরসিংদীর গর্ব সাংবাদিক শাহজাহান সরদার

আগের সংবাদ

ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরীর সদস্য হলেন নরসিংদীর মেয়র

পরের সংবাদ

সূর্য্যমুখীর সৌন্দর্য্য দেখতে চরসিন্দুর চরে জনতার ঢল

মোঃ মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া 

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২২ , ১০:০৮ অপরাহ্ণ

সূর্য যেদিকে যায়, ঘাড় ঘুরিয়ে সেদিকেই মুখ করে সূর্যমুখী। সত্যিই এ রহস্যটি অনেক ভাবিয়ে তুলে। তবে যা-ই হোক, দৃষ্টিনন্দন এ ফুল যেন সবাইকে তার কাছে টানে। এজন্যই তো সূর্যমুখী বাগান দেখতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। রূপে-গুণে অনন্য এ ফুল শুধু সুন্দরই নয়, এর আছে অনেক গুণাগুণ। সূর্যমুখীর বীজ থেকে তেল হয়।

যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তেলের উৎস হিসেবে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সূর্যমুখীর ব্যাপক চাষ হয়। সূর্যমুখী যেখানেই ফুটুক না কেন, সেখানকার সৌন্দর্য দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এখন সূর্যমুখী ফুলের মৌসুম। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাষ হয়েছে সূর্যমুখী। ভালো ফলনে কৃষকদের মুখেও ফুটেছে হাসি। তবে সূর্যমুখী বাগান মানেই তো গ্রামীণ পরিবেশে এক অরূপের অনন্য মনমুগ্ধকর চিত্র।

এমনি একটি বিনোদন কেন্দ্রিক সূর্যমুখী বাগান আবাদ করেছেন একজন সৌখিন কৃষক নরসিংদীর চরসিন্দুর ইউনিয়ানের শীতলক্ষ্যার চরে। প্রস্ফুটিত ফুল ও কলির শোভাসিত সমারোহে হলুদ রঙয়ের বসন্ত উৎসব ছড়িয়েছে বাগান জুড়ে। প্রতিদিন বিকেলে পুস্প প্রেমিকরা দলে দলে ছুটে আসছেন এই বাগানে একটু বিনোদন ছুঁয়ে নিতে।

বাগান মালিক সাবেক কৃষিকর্মকর্তা মাজহারুল হক বাগানের চারিদিকে বেষ্টনীতে ঘিরে দিয়েছেন। আবার নানান চিত্রকর্মে সুন্দর সাজিয়েছেন বাগান ও প্রবেশ পথ। শত শত দর্শক সেলফি ও বাগানের বিমোহিত ছবি তুলে নিচ্ছেন। বাগান দেখতে আসা কালিগঞ্জের রহিমুদ্দিন সাথে কথা বলে জানা যায়, সে খুবি আনন্দিত এখানে এসে। তিনি বন্ধুদের নিয়ে ছবি তুলেছেন। চরসিন্দুর বালিকা সরকারী প্রা.বিদ্যালয়ের শিক্ষক খালেদা বেগম বললেন, এই সুর্য্যমুখী বাগানটি একটি মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠায় শীতকালীন বিনোদন স্পটে পরিনীত হয়েছে।

হলুদফুলের সৌন্দর্য আর সৌরভে সবাইকে বিমোহিত করছে। স্হানীয় কৃষি পরিদর্শক শাহ্ নেওয়াজ জানান, সূর্য্যমুখী একটি অর্থকরী মৌসুমি ফসল। শীতকালেই এর চাষের উত্তম সময়। রূপে গুণে সূর্য্যমুখী ফুল একটি অতুলিনীয়। সূযমুখী থেকে আহোরিত তৈল স্বাস্থ্যকর, কলস্টোরল মুক্ত থাকায় মানব শরীরে এর কোন ক্ষতিকর প্রভাব পড়েনা। বর্তমানে সূর্য্যমুখী চাষ অনেকগুণ বেড়েছে। একিদিকে বাগান যেমন সৌন্দর্যের আকর্ষণ, অন্যদিকে আর্থিকভাবেও লাভবান হচ্ছেন কৃষকগণ।