নরসিংদী প্রেসক্লাব নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব

আগের সংবাদ

নরসিংদীতে কারামুক্ত যুব নেতাদের সংবর্ধনা দিলো ইসলামী যুব আন্দোলন

পরের সংবাদ

পলাশের শীতলক্ষ্যা নদীতে খাঁচায় মাছ চাষ পরিদর্শনে তানজানিয়ার মন্ত্রী 

নাদিয়া ভূঁইয়া

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৭, ২০২১ , ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ

 নরসিংদী জেলার পলাশে শীতলক্ষ্যা নদীতে নরসিংদী এগ্রো ফিস ফার্ম এর ভাসমান খাঁচায় মাছের চাষ পরিদর্শনে আসেন ১৬ নভেম্বর এক প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন তানজানিয়ার প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যমন্ত্রী মাশিম্বা নাদাকি( এমপি),

জাঞ্জিবারের বিপ্লবী সরকারের নীল অর্থনীতি ও মৎস্যমন্ত্রী আবদুল্লাহ হুসেন কম্বো ও প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক স্টিফেন অগাস্টিন লুকাঙ্গাসহ আরও অনেকে । এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, নরসিংদী জেলার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বেলাল হোসেন, পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা আফসানা চৌধুরী ও পলাশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল আলম৷ পরিদর্শনের সময় পলাশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারহানা আফসানা চৌধুরী মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। ভাসমান পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা লাভজনক হওয়ায় নতুন এই পদ্ধতিতে মাছ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বেকার যুবকরা। শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এখানকার মানুষের মাঝে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঘোড়াশাল পৌর এলাকার পলাশ বাজার নদী ঘাটের পাশে প্রায় এক কেলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাসমান পদ্ধতিতে মাছ চাষ করছেন সোহরাব হোসেন নামে এক মৎস্যচাষি। বড় বড় খাঁচায় মাছের চাষ করছেন তিনি। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ৩/৪ বছর আগে নদীতে নতুন পদ্ধতিতে সোহরাব মাছ চাষ শুরু করেন। তার এই ভাসমান পদ্ধতিতে মাছ চাষ দেখে এখানকার স্থানীয় অনেক মৎস্যজীবী ও বেকার যুবকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বাঁশ ও জাল দিয়ে বড় হাফা (বড় খাঁচা) তৈরি করতে হয়। খাঁচা পানিতে ভাসিয়ে রাখার জন্য ড্রাম ব্যবহার করতে হয়।এই পদ্ধতিতে তেলাপিয়া, পাঙ্গাস কই, শিং, মাগুর, গ্রাস কার্প, রুই, চিংড়ি, সরপুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা যায়। বাজারে এসব মাছের চাহিদা বেশ এবং লাভজনক।

মাছ চাষের নতুন পদ্ধতি দেখে স্থানীয় বেকার যুবকরা নিজস্ব উদ্যোগে নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ করতে শুরু করে। পোনা ছাড়ার দুই-তিন মাস পর মাছের ওজন ও রোগ-বালাই দেখা না দিলে প্রতিটি খাঁচায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা লাভ হয় বলে জানায় চাষিরা।